Breaking



Sunday, February 22, 2026

✍️ শিকার — জীবনানন্দ দাশ

UGC NET/WB SET/HS EXAM.


সাহিত্যচর্চা অ্যাকাডেমি


✍️ শিকার — জীবনানন্দ দাশ


✍️ শিকার — জীবনানন্দ দাশ

📚 কবি প্রসঙ্গে

👤 জীবনানন্দ দাশ

জন্ম: ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দ

মৃত্যু: ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ

পরিচিতি: বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি


🌿 উপাধি ও মূল্যায়ন

“রূপসী বাংলার কবি” — তাঁর কাব্যে বাংলার প্রকৃতি জীবন্ত হয়ে উঠেছে।

“নির্জনতম কবি” — বলেছেন বুদ্ধদেব বসু

“শুদ্ধতম কবি” — বলেছেন আবদুল মান্নান সৈয়দ


📖 কবিতা প্রসঙ্গে

🗞 প্রকাশ ও গ্রন্থ

  • প্রকাশকাল: আশ্বিন, ১৩৪৩ বঙ্গাব্দ
  • পত্রিকা: কবিতা
  • মূল কাব্যগ্রন্থ: বনলতা সেন (১৯৪২)
  • অনেকের মতে পরবর্তীতে কবিতাটি মহাপৃথিবী কাব্যগ্রন্থেও স্থান পায়।

🔍 প্রভাব ও সাদৃশ্য

এই কবিতার সঙ্গে Anton Chekhov-এর “A Dreary Story”-এর ভাবগত সাদৃশ্য লক্ষ করা যায় (বিষণ্ণতা, অস্তিত্ববোধ, মানবিক বেদনা)।

🌅 “শিকার” কবিতার মূল বিষয়বস্তু

🌄 দুটি ভোরের উল্লেখ

কবি এই কবিতায় দুটি ভোরের চিত্র এঁকেছেন—

১️⃣ প্রথম ভোর

অরণ্য ও প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের বর্ণনা

শীতের কুয়াশা, নিস্তব্ধতা, পাখির ডাক

জীবনের স্বাভাবিক গতি

২️⃣ দ্বিতীয় ভোর

এক মর্মান্তিক ঘটনার চিত্রণ শিকারের নির্মমতা প্রাণহানির করুণ বাস্তবতা


🔥 আগুনের দুই ব্যবহার

🔸 প্রথমবার: দেশোয়ালীরা আগুন জ্বালায় — নিজেদের উষ্ণ রাখার জন্য।

🔸 দ্বিতীয়বার: টেরিকাটা মানুষেরা আগুন জ্বালায় — হরিণের মাংস রান্নার জন্য।

👉 এখানে প্রকৃতির শান্ত সৌন্দর্য ও মানুষের নিষ্ঠুরতার দ্বৈততা স্পষ্ট হয়েছে।

ঋতুচিত্র

কবিতায় প্রধানত শীতকালের পরিবেশ ফুটে উঠেছে।

কুয়াশা, ঠাণ্ডা, নিস্তব্ধতা — সব মিলিয়ে এক বিষণ্ণ আবহ।

🌸 ফুলের উল্লেখ

🌺 মোরগ ফুল

🌼 মচকা ফুল

👉 ফুল দুটি প্রকৃতির কোমলতা ও সৌন্দর্যের প্রতীক, যা শিকারের নির্মমতার সঙ্গে তীব্র বৈপরীত্য সৃষ্টি করে।


━━━━━━━━প্রশ্নত্তোর━━━━━━━━━━

◈ ১) “শিকার” কবিতার কবি কে?

উত্তর — জীবনানন্দ দাশ।

◈ ২) ভোরবেলার আকাশের রং কবি যার সঙ্গে তুলনা করেছেন — ঘাসফড়িঙের দেহের মতো কোমল নীল।

◈ ৩) “টিয়ার পালকের মতো সবুজ” ছিল — পেয়ারা ও নোনার গাছ।

◈ ৪) “....এখনও আকাশে রয়েছে” — একটি তারা।

◈ ৫) পাড়াগাঁয়ে লক্ষ করা মেয়েটি ছিল — গোধূলিমদির।

◈ ৬) গোধূলিমদির মেয়েটি ছিল — পাড়াগাঁর বাসরঘরে।

◈ ৭) “....মানুষী তার বুকের থেকে যে মুক্তা...” — মিশরের।

◈ ৮) “সারারাত মাঠে আগুন জ্বেলেছে” — দেশোয়ালিরা।

◈ ৯) সারারাতের আগুন ছিল — মোরগফুলের মতো।

◈ ১০) “সূর্যের আলোয় তার রং.... মতো নেই আর” — কুঙ্কুমের।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

◆ ১১) বন ও আকাশ ঝিলমিল করছিল — ময়ূরের সবুজ নীল ডানার মতো।

◆ ১২) হরিণ নিজেকে বাঁচিয়েছিল — চিতাবাঘিনির হাত থেকে।

◆ ১৩) হরিণ সারারাত ঘুরেছিল — অর্জুন-সুন্দরীর বনে।

◆ ১৪) বাদামি হরিণ অপেক্ষা করছিল — ভোরের জন্য।

◆ ১৫) সবুজ সুগন্ধি ঘাস — কচি বাতাবু লেবুর মতো।

◆ ১৬) হরিণ নেমেছিল — ঝরনার জলে।

◆ ১৭) নদীর জল লাল — মচকাফুলের পাপড়ির মতো।

◆ ১৮) প্রথমবার আগুন জ্বালানো হয়েছিল — শরীর উষ্ণ রাখার জন্য।

◆ ১৯) দ্বিতীয়বার আগুন জ্বলেছিল — হরিণের মাংস প্রস্তুতের জন্য।

◆ ২০) ঘাসের বিছানায় দেখা মানুষগুলো — টেরিকাটা।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

✦ ২১) “নক্ষত্রের নীচে ঘাসের বিছানায়” — পুরোনো শিশিরভেজা গল্প।

✦ ২২) কবিতার শুরু শব্দ — “ভোর”।

✦ ২৩) প্রথম কাব্যগ্রন্থ — ঝরা পালক।

✦ ২৪) প্রথম প্রকাশ — কবিতা পত্রিকা (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ, আশ্বিন)।

✦ ২৫) “সূর্যের.... বর্শার মতো” — সোনার।

✦ ২৬) টেরিকাটা মানুষেরা খায় — সিগারেট।

✦ ২৭) মোট পংক্তি — ৩৭ টি।

✦ ২৮) আগুন জ্বলছিল — শুকনো অশ্বত্থপাতায়।

✦ ২৯) “হৃদয়ের বিবর্ণ ইচ্ছা” — রোগা শালিক।

✦ ৩০) হরিণটি ছিল — সুন্দর বাদামি।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

▣ ৩১) কচি বাতাবিলেবুর মতো — সবুজ সুগন্ধি ঘাস।

▣ ৩২) নদীর জলে নামা হরিণের শরীর — ঘুমহীন ক্লান্ত বিহ্বল।

▣ ৩৩) নদীর ঢেউয়ে নেমেছিল — স্রোতের মতো আবেশ পাওয়ার জন্য।

▣ ৩৪) জেগে উঠতে চেয়েছিল — সূর্যের সোনার বর্শার মতো।

▣ ৩৫) “হরিণীর পর হরিণীকে” — সাহসে সাধে সৌন্দর্যে।

▣ ৩৬) ঘাসের বিছানা ছিল — পাড়াগাঁতে।

▣ ৩৭) হিমের রাতে দেশোয়ালিরা — আগুন জ্বেলেছে।

▣ ৩৮) আগুনের রং হয়ে গিয়েছিল — রোগা শালিকের হৃদয়ের বিবর্ণ ইচ্ছার মতো।

▣ ৩৯) বর্ণিত ঋতু — শীত।

▣ ৪০) শিকার সংঘটিত হয়েছিল — ভোরবেলায়।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

✺ ৪১) আকাশ ছিল — ঘাসফড়িঙের দেহের মতো কোমল নীল।

✺ ৪২) ঘাসফড়িঙের নীল রং — কোমল।

✺ ৪৩) একটি তারা ছিল — রাতের অন্ধকার পুরো কাটেনি বলে।

✺ ৪৪) আকাশে ছিল — ১টি তারা।

✺ ৪৫) তারা ছিল — গোধূলিমদির মেয়েটির মতো।

✺ ৪৬) তারা জ্বলছিল — মিশরের মানুষীর মুক্তার মতো।

✺ ৪৭) মুক্তা রাখা হয়েছিল — হাজার হাজার বছর আগে এক রাতে।

✺ ৪৮) রেখেছিল — মিশরের মানুষী।

✺ ৪৯) রেখেছিল — মুক্তা।

✺ ৫০) আগুন জ্বালানো হয়েছিল — শরীর উষ্ণ রাখার জন্য।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

⬢ ৫১) তারা জ্বলছিল — ভোরবেলায়।

⬢ ৫২) আগুন জ্বালানো হয়েছিল — অশ্বত্থ পাতা দিয়ে।

⬢ ৫৩) “তার রং” — আগুনের।

⬢ ৫৪) বিবর্ণ হয়েছিল — আগুন।

⬢ ৫৫) বন ও আকাশ ঝিলমিল — ময়ূরের ডানার মতো।

⬢ ৫৬) অন্ধকার ছিল — মেহগনির মতো।

⬢ ৫৭) ভোরের অপেক্ষা — চিতাবাঘিনির হাত থেকে বাঁচার জন্য।

⬢ ৫৮) ভোরের আলোয় নেমেছিল — বাদামি হরিণ।

⬢ ৫৯) নেমেছিল — ঘাস খাওয়ার জন্য।

⬢ ৬০) “ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাচ্ছে” — সুগন্ধি ঘাস।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

◉ ৬১) নদীর ঢেউয়ে নামল — বাদামি হরিণ।

◉ ৬২) আবেশের তুলনা — স্রোতের সঙ্গে।

◉ ৬৩) উল্লাসের তুলনা — স্রোতের সঙ্গে।

◉ ৬৪) অদ্ভুত শব্দ — বন্দুকের।

◉ ৬৫) লাল রং — হরিণের রক্তের।

◉ ৬৬) নদীর জল লাল হয়েছিল — রক্ত মেশার কারণে।

◉ ৬৭) আগেও আগুন জ্বলেছিল — শরীর গরম রাখতে।

◉ ৬৮) লাল হয়েছিল — মচকাফুলের পাপড়ির মতো।

◉ ৬৯) ঘাসের বিছানায় — পুরোনো শিশিরভেজা গল্প।

◉ ৭০) টেরিকাটা মানুষের মাথা — ঘাসের বিছানায়।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

❖ ৭১) টেরিকাটা মানুষ — শিকারি।

❖ ৭২) শালিকটির বিশেষণ — রোগা।

❖ ৭৩) গোধূলিমদির — সূর্যাস্তের সময় মত্ততা সৃষ্টিকারী।

❖ ৭৪) টেরিকাটা — 

বাঁকা সিঁথি কাটা।

❖ ৭৫) কুঙ্কুম — কপালের প্রসাধন সামগ্রী (টিপ)।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━


No comments:

Post a Comment