UGC NET/WB SET/HS EXAM.
✍️ শিকার — জীবনানন্দ দাশ
✍️ শিকার — জীবনানন্দ দাশ
📚 কবি প্রসঙ্গে
👤 জীবনানন্দ দাশ
জন্ম: ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দ
মৃত্যু: ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ
পরিচিতি: বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি
🌿 উপাধি ও মূল্যায়ন
“রূপসী বাংলার কবি” — তাঁর কাব্যে বাংলার প্রকৃতি জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
“নির্জনতম কবি” — বলেছেন বুদ্ধদেব বসু
“শুদ্ধতম কবি” — বলেছেন আবদুল মান্নান সৈয়দ
📖 কবিতা প্রসঙ্গে
🗞 প্রকাশ ও গ্রন্থ
- প্রকাশকাল: আশ্বিন, ১৩৪৩ বঙ্গাব্দ
- পত্রিকা: কবিতা
- মূল কাব্যগ্রন্থ: বনলতা সেন (১৯৪২)
- অনেকের মতে পরবর্তীতে কবিতাটি মহাপৃথিবী কাব্যগ্রন্থেও স্থান পায়।
🔍 প্রভাব ও সাদৃশ্য
এই কবিতার সঙ্গে Anton Chekhov-এর “A Dreary Story”-এর ভাবগত সাদৃশ্য লক্ষ করা যায় (বিষণ্ণতা, অস্তিত্ববোধ, মানবিক বেদনা)।
🌅 “শিকার” কবিতার মূল বিষয়বস্তু
🌄 দুটি ভোরের উল্লেখ
কবি এই কবিতায় দুটি ভোরের চিত্র এঁকেছেন—
১️⃣ প্রথম ভোর
অরণ্য ও প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের বর্ণনা
শীতের কুয়াশা, নিস্তব্ধতা, পাখির ডাক
জীবনের স্বাভাবিক গতি
২️⃣ দ্বিতীয় ভোর
এক মর্মান্তিক ঘটনার চিত্রণ শিকারের নির্মমতা প্রাণহানির করুণ বাস্তবতা
🔥 আগুনের দুই ব্যবহার
🔸 প্রথমবার: দেশোয়ালীরা আগুন জ্বালায় — নিজেদের উষ্ণ রাখার জন্য।
🔸 দ্বিতীয়বার: টেরিকাটা মানুষেরা আগুন জ্বালায় — হরিণের মাংস রান্নার জন্য।
👉 এখানে প্রকৃতির শান্ত সৌন্দর্য ও মানুষের নিষ্ঠুরতার দ্বৈততা স্পষ্ট হয়েছে।
❄ ঋতুচিত্র
কবিতায় প্রধানত শীতকালের পরিবেশ ফুটে উঠেছে।
কুয়াশা, ঠাণ্ডা, নিস্তব্ধতা — সব মিলিয়ে এক বিষণ্ণ আবহ।
🌸 ফুলের উল্লেখ
🌺 মোরগ ফুল
🌼 মচকা ফুল
👉 ফুল দুটি প্রকৃতির কোমলতা ও সৌন্দর্যের প্রতীক, যা শিকারের নির্মমতার সঙ্গে তীব্র বৈপরীত্য সৃষ্টি করে।
━━━━━━━━প্রশ্নত্তোর━━━━━━━━━━
◈ ১) “শিকার” কবিতার কবি কে?
উত্তর — জীবনানন্দ দাশ।
◈ ২) ভোরবেলার আকাশের রং কবি যার সঙ্গে তুলনা করেছেন — ঘাসফড়িঙের দেহের মতো কোমল নীল।
◈ ৩) “টিয়ার পালকের মতো সবুজ” ছিল — পেয়ারা ও নোনার গাছ।
◈ ৪) “....এখনও আকাশে রয়েছে” — একটি তারা।
◈ ৫) পাড়াগাঁয়ে লক্ষ করা মেয়েটি ছিল — গোধূলিমদির।
◈ ৬) গোধূলিমদির মেয়েটি ছিল — পাড়াগাঁর বাসরঘরে।
◈ ৭) “....মানুষী তার বুকের থেকে যে মুক্তা...” — মিশরের।
◈ ৮) “সারারাত মাঠে আগুন জ্বেলেছে” — দেশোয়ালিরা।
◈ ৯) সারারাতের আগুন ছিল — মোরগফুলের মতো।
◈ ১০) “সূর্যের আলোয় তার রং.... মতো নেই আর” — কুঙ্কুমের।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
◆ ১১) বন ও আকাশ ঝিলমিল করছিল — ময়ূরের সবুজ নীল ডানার মতো।
◆ ১২) হরিণ নিজেকে বাঁচিয়েছিল — চিতাবাঘিনির হাত থেকে।
◆ ১৩) হরিণ সারারাত ঘুরেছিল — অর্জুন-সুন্দরীর বনে।
◆ ১৪) বাদামি হরিণ অপেক্ষা করছিল — ভোরের জন্য।
◆ ১৫) সবুজ সুগন্ধি ঘাস — কচি বাতাবু লেবুর মতো।
◆ ১৬) হরিণ নেমেছিল — ঝরনার জলে।
◆ ১৭) নদীর জল লাল — মচকাফুলের পাপড়ির মতো।
◆ ১৮) প্রথমবার আগুন জ্বালানো হয়েছিল — শরীর উষ্ণ রাখার জন্য।
◆ ১৯) দ্বিতীয়বার আগুন জ্বলেছিল — হরিণের মাংস প্রস্তুতের জন্য।
◆ ২০) ঘাসের বিছানায় দেখা মানুষগুলো — টেরিকাটা।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
✦ ২১) “নক্ষত্রের নীচে ঘাসের বিছানায়” — পুরোনো শিশিরভেজা গল্প।
✦ ২২) কবিতার শুরু শব্দ — “ভোর”।
✦ ২৩) প্রথম কাব্যগ্রন্থ — ঝরা পালক।
✦ ২৪) প্রথম প্রকাশ — কবিতা পত্রিকা (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ, আশ্বিন)।
✦ ২৫) “সূর্যের.... বর্শার মতো” — সোনার।
✦ ২৬) টেরিকাটা মানুষেরা খায় — সিগারেট।
✦ ২৭) মোট পংক্তি — ৩৭ টি।
✦ ২৮) আগুন জ্বলছিল — শুকনো অশ্বত্থপাতায়।
✦ ২৯) “হৃদয়ের বিবর্ণ ইচ্ছা” — রোগা শালিক।
✦ ৩০) হরিণটি ছিল — সুন্দর বাদামি।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
▣ ৩১) কচি বাতাবিলেবুর মতো — সবুজ সুগন্ধি ঘাস।
▣ ৩২) নদীর জলে নামা হরিণের শরীর — ঘুমহীন ক্লান্ত বিহ্বল।
▣ ৩৩) নদীর ঢেউয়ে নেমেছিল — স্রোতের মতো আবেশ পাওয়ার জন্য।
▣ ৩৪) জেগে উঠতে চেয়েছিল — সূর্যের সোনার বর্শার মতো।
▣ ৩৫) “হরিণীর পর হরিণীকে” — সাহসে সাধে সৌন্দর্যে।
▣ ৩৬) ঘাসের বিছানা ছিল — পাড়াগাঁতে।
▣ ৩৭) হিমের রাতে দেশোয়ালিরা — আগুন জ্বেলেছে।
▣ ৩৮) আগুনের রং হয়ে গিয়েছিল — রোগা শালিকের হৃদয়ের বিবর্ণ ইচ্ছার মতো।
▣ ৩৯) বর্ণিত ঋতু — শীত।
▣ ৪০) শিকার সংঘটিত হয়েছিল — ভোরবেলায়।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
✺ ৪১) আকাশ ছিল — ঘাসফড়িঙের দেহের মতো কোমল নীল।
✺ ৪২) ঘাসফড়িঙের নীল রং — কোমল।
✺ ৪৩) একটি তারা ছিল — রাতের অন্ধকার পুরো কাটেনি বলে।
✺ ৪৪) আকাশে ছিল — ১টি তারা।
✺ ৪৫) তারা ছিল — গোধূলিমদির মেয়েটির মতো।
✺ ৪৬) তারা জ্বলছিল — মিশরের মানুষীর মুক্তার মতো।
✺ ৪৭) মুক্তা রাখা হয়েছিল — হাজার হাজার বছর আগে এক রাতে।
✺ ৪৮) রেখেছিল — মিশরের মানুষী।
✺ ৪৯) রেখেছিল — মুক্তা।
✺ ৫০) আগুন জ্বালানো হয়েছিল — শরীর উষ্ণ রাখার জন্য।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
⬢ ৫১) তারা জ্বলছিল — ভোরবেলায়।
⬢ ৫২) আগুন জ্বালানো হয়েছিল — অশ্বত্থ পাতা দিয়ে।
⬢ ৫৩) “তার রং” — আগুনের।
⬢ ৫৪) বিবর্ণ হয়েছিল — আগুন।
⬢ ৫৫) বন ও আকাশ ঝিলমিল — ময়ূরের ডানার মতো।
⬢ ৫৬) অন্ধকার ছিল — মেহগনির মতো।
⬢ ৫৭) ভোরের অপেক্ষা — চিতাবাঘিনির হাত থেকে বাঁচার জন্য।
⬢ ৫৮) ভোরের আলোয় নেমেছিল — বাদামি হরিণ।
⬢ ৫৯) নেমেছিল — ঘাস খাওয়ার জন্য।
⬢ ৬০) “ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাচ্ছে” — সুগন্ধি ঘাস।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
◉ ৬১) নদীর ঢেউয়ে নামল — বাদামি হরিণ।
◉ ৬২) আবেশের তুলনা — স্রোতের সঙ্গে।
◉ ৬৩) উল্লাসের তুলনা — স্রোতের সঙ্গে।
◉ ৬৪) অদ্ভুত শব্দ — বন্দুকের।
◉ ৬৫) লাল রং — হরিণের রক্তের।
◉ ৬৬) নদীর জল লাল হয়েছিল — রক্ত মেশার কারণে।
◉ ৬৭) আগেও আগুন জ্বলেছিল — শরীর গরম রাখতে।
◉ ৬৮) লাল হয়েছিল — মচকাফুলের পাপড়ির মতো।
◉ ৬৯) ঘাসের বিছানায় — পুরোনো শিশিরভেজা গল্প।
◉ ৭০) টেরিকাটা মানুষের মাথা — ঘাসের বিছানায়।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
❖ ৭১) টেরিকাটা মানুষ — শিকারি।
❖ ৭২) শালিকটির বিশেষণ — রোগা।
❖ ৭৩) গোধূলিমদির — সূর্যাস্তের সময় মত্ততা সৃষ্টিকারী।
❖ ৭৪) টেরিকাটা —
বাঁকা সিঁথি কাটা।
❖ ৭৫) কুঙ্কুম — কপালের প্রসাধন সামগ্রী (টিপ)।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

No comments:
Post a Comment